দুর্গাপূজায় যতদিন বন্ধ থাকবে স্কুল-কলেজ


সর্বশেষ
| ফজর | |
| জোহর | |
| আসর | |
| মাগরিব | |
| ইশা | |
| সূর্যোদয় | |
| সূর্যাস্ত |

রাসুলুল্লাহ (সা.) হঠাৎ মৃত্যুসহ নানা প্রকার বিপদ থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্য একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন, যা উম্মতকেও শেখাতেন। দোয়াটি হলো: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাদমি, ওয়া আউজুবিকা মিনাত তারাদ্দি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল গারাকি ওয়াল হারাকি ওয়াল হারামি, ওয়া আউজুবিকা আইয়াতাখাব্বাতানিশ শাইতানু ইংদাল মাওতি, ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা ফি সাবিলিকা মুদবিরান, ওয়া আউজুবিকা আন আমুতা লাদি-গান।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই চাপা পড়ে, গহ্বরে পতিত হয়ে, পানিতে ডুবে, আগুনে পুড়ে ও অতিবৃদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ থেকে। আমি আপনার আশ্রয় চাই মৃত্যুর সময় শয়তানের ধোঁকায় পড়া থেকে। আমি আশ্রয় চাই জিহাদ থেকে পলায়নরত অবস্থায় ও বিষাক্ত প্রাণীর কামড়ে মৃত্যুবরণ থেকে। (সুনান আবু দাউদ: ১৫৫২)
মৃত্যু আমাদের অনিবার্য ভবিষ্যৎ। তাই সব সময় ইমান ও আমলের ওপর দৃঢ় থাকা, আত্মসমালোচনায় মনোযোগী হওয়া এবং রাসুল (সা.) প্রদত্ত এই দোয়ার মাধ্যমে আন্তরিকতা সহকারে আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়ার মাধ্যমেই প্রস্তুত থাকা উচিত।
হঠাৎ মৃত্যু থেকে বাঁচার যে দোয়া শিখিয়েছেন মহানবি (সা.)ইসলামী শরিয়তে হঠাৎ মৃত্যুকে ‘আফসোসের পাকড়াও’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে নবী।

ভর্তি চলছে--- ভর্তি চলছে---ভর্তি চলছে
হযরত আন্নার আলী শাহ (র:) হেফজ একাডেমিতে ভর্তি চলছে।
আমাদের বৈশিষ্ট্য :
★সন্তান আপনার দায়িত্ব আমাদের★
১)ঘরোয়া পরিবেশে আবাসিক ছাত্রদেরকে খাবার পরিবেশন করা হয়।
২)মনোরম পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে।
৩)ছোটদের ক্ষেত্রে স্পেশাল টেক কেয়ার করা হয়।
৪)দুর্বল ছাত্রদেরকে স্পেশাল ভাবে দেখাশোনা করা হয়।
৫)বেতের আঘাত দিয়ে পড়াশোনা করানো হয় না।
৬)ছাত্রদের জন্য কর্তৃপক্ষ হতে ইনডোর এবং আউটডোর খেলাধুলার ব্যবস্থা আছে।
৭)আবাসিক ছাত্রদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রযোজ্য ইত্যাদি ভর্তি জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭৩৫-৮৫৯৩৬২ এই নাম্বারে

টানা বর্ষণ আর ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ৫টি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাত থেকে টানা বর্ষণের ফলে শুক্রবার (৪ অক্টোবর) জেলায় বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভেঙে গেছে বেশ কয়েকটি নদীর পাড়। পাহাড়ি ঢলে প্রায় দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় দেড় লাখ মানুষ।
পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং শেরপুরের বাইরের অনেকগুলো সংগঠন কাজ করছে।
গত শুক্রবার (৪ অক্টোবর) পানি বৃদ্ধির পর থেকে ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭৪১টি। এর মধ্যে বন্যাকবলিত হয়েছে ৩০১টি বিদ্যালয়। এর মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ২৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
বেশি বন্যাকবলিত হয়েছে নালিতাবাড়ী উপজেলা। উপজেলার ১২ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ১২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৯টি বন্ধ রয়েছে।
শেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে সেগুগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুলের ভেতরে পানি না উঠলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে।